ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিনে তদন্ত


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২, ১১:১৭ অপরাহ্ণ / ৪৪৫
ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর সরেজমিনে তদন্ত
Spread the love

জাহিদ শিকদার,  বরিশাল ব্যুরোঃ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব যাদব কুমার দত্তের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম,দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিব মেজিস্ট্রেট নইম উদ্দিন সরেজমিন তদন্ত করেন।
মঙ্গলবার( ২০ সেপ্টেম্বর) কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু, ইউপি সদস্যগন ও ভুক্তভোগী জনতার উপস্থিতিতে এ তদন্ত করা হয়।
উল্লেখ যে গত ৩১আগষ্ট একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আসাদুল হক জুয়েল ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন ডাটাবেজ করাতে সরকার নির্ধারিত ফি ৫০ টাকার পরিবর্তে ৮-৯ গুণ বেশি টাকা আদায় করেন ইউপি সচিব যাদব কুমার দত্ত। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য কেশবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে ৭-৮টি এজেন্ট বসান সচিব। ওই এজেন্টরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন সংগ্রহ করে সরকার নির্ধারিত ৫০ টাকার পরিবর্তে প্রতিজনের কাছ থেকে নেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।
অভিযোগে আরো জানা যায় সচিব যাদব কুমার দত্ত সপ্তাহে ২-৩ দিন ইউনিয়ন পরিষদে বসেন। বাকি দিনগুলো পটুয়াখালীতে অবস্থান করেন। এর ফলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ইউপি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। কোন মানুষের সচিবকে জরুরি প্রয়োজন হলে পটুয়াখালী শহরে গিয়ে কাজ করাতে হয়।
ইউপি সদস্য মো.আসাদুল হক জুয়েল বলেন, আমি জনপ্রতিদিন জনগন আমাকে ভোট দিয়ে ইউপি সদস্য বানিয়েছে তাদের উপকারের জন্য। ইউপি সচিবের সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত আক্রশ নাই। আমি যা কিছু করেছি জনগনের স্বার্থের জন্য করেছি।

অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সচিব যাদব কুমার দত্ত বলেন,আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত আক্রশের কারনেই এ সব অভিযোগ করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন পিকু বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং বলেন এ সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। ব্যক্তিগত আক্রশের কারনেই এ সব কিছু হয়েছে।

Translate »

link slot tergacor