চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি: কড়া পদক্ষেপের মুখে ২১ বছর পর বকেয়া ডিউস পরিশোধ আইনজীবীর


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৮, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ / ৬৫১
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি: কড়া পদক্ষেপের মুখে ২১ বছর পর বকেয়া ডিউস পরিশোধ আইনজীবীর
Spread the love

আদালত প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান কার্যকরী পরিষদের কঠোর পদক্ষেপ ও ধারাবাহিক তাগিদের মুখে দীর্ঘ ২১ বছর পর বারের যাবতীয় বকেয়া ফি (ডিউস) পরিশোধ করেছেন এক বিজ্ঞ সদস্য। বকেয়া পরিশোধের পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ‘রি-অ্যাডমিশন’ (পুনঃভর্তি) কার্যকর হয়েছে। তবে সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, অতীতের বিগত ২১ বছরের কোনো সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন না; নতুন সদস্য হিসেবে এখন থেকে যে সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা কেবল সেগুলিই তিনি ভোগ করতে পারবেন।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ লাভ করেন। এরপর দীর্ঘ ২১ বছর তিনি সমিতির কোনো বার্ষিক বা নিয়মিত ফি পরিশোধ করেননি। অথচ এই দীর্ঘ সময় তিনি ৩ নম্বর মিলনায়তনে নিয়মিত বসে ওকালতি পেশা পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি ২৬ হাজার ৭৪০ টাকা বকেয়া ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে সমিতির সদস্যপদ নবায়ন বা রি-অ্যাডমিশন সম্পন্ন করেন।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান কার্যকরী পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বারের শৃঙ্খলা ফেরাতে নানামুখী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, যারা টানা তিন বছর সমিতির বার্ষিক ফি পরিশোধ করেননি, তাদের ‘লিন (LIN) নম্বর’ স্থগিত বা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাদের ১ থেকে ২ বছরের বকেয়া রয়েছে, তাদেরকেও দ্রুত বকেয়া পরিশোধের জন্য দফায় দফায় নোটিশ ও তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
কার্যকরী পরিষদের এমন কঠোর অবস্থান ও লিন নম্বর বন্ধের তৎপরতার কারণে যেসব আইনজীবী বকেয়া রেখে পেশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তারা আইন পেশা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন। এর ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রাখা অনেক আইনজীবীই এখন সমিতির পাওনা পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মইনুদ্দিন জানান, “বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, আমাদের একজন বিজ্ঞ সদস্য দীর্ঘ ২১ বছর পর বারের বকেয়া ডিউস পরিশোধ করেছেন। ২০০৫ সালে সদস্যপদ পাওয়ার পর তিনি কখনোই ডিউস দেননি, অথচ ৩ নং মিলনায়তনে নিয়মিত ওকালতি করেছেন। আমাদের বিভিন্ন নোটিশ, লিন নম্বর বন্ধসহ নানা কার্যকর পদক্ষেপের কারণেই তিনি এই বকেয়া পরিশোধে বাধ্য হয়েছেন। তবে অনেকেই সদস্যপদ পাওয়ার পর নিয়মিত পেশা চালালেও বারের পাওনা পরিশোধ করেন না—তাদের বিষয়েও কঠোর নীতি বজায় থাকবে।”
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সরোয়ার হোসাইন লাভলু বলেন, “বর্তমান কার্যকরী পরিষদ সমিতির আর্থিক শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সম্পূর্ণ আপসহীন। বছরের পর বছর সমিতির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন অথচ বারের নিয়মিত ফি দেবেন না, এই সংস্কৃতি আর চলতে দেওয়া হবে না। যারা তিন বছর ফি দেননি তাদের লিন নম্বর ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে এবং এক-দুই বছরের বকেয়া থাকা সদস্যদের দ্রুত পরিশোধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই এখন দীর্ঘদিনের বকেয়া আদায় সম্ভব হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে, নিয়মানুযায়ী এই সদস্যের নতুন করে ‘রি-অ্যাডমিশন’ হয়েছে, ফলে অতীতের কোনো সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন না; শুধু বর্তমান নতুন সদস্য হিসেবে নিয়মমাফিক সুবিধা পাবেন। সমিতিকে শক্তিশালী ও স্বচ্ছ রাখতে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

mahjong

spaceman

nona88

nona88

nona88

nona88

kantonghoki88 link alternatif

nona88

mahjong

nona88

crazyrich88 link alternatif

star88

star88

nona88

crazyrich88

crazyrich88

slot777