রাঙ্গুনিয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় ৭ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড


প্রকাশের সময় : মে ৬, ২০২৫, ১:০৬ অপরাহ্ণ / ১০৪৯
রাঙ্গুনিয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় ৭ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড
Spread the love

 

চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যে দোষ প্রমাণিত

চট্টগ্রাম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৭ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দেউলিয়া বিষয়ক আদালতের মাননীয় বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ৫ এপ্রিল গভীর রাতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সায়ের মোহাম্মদপাড়া এলাকায় একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত গৃহস্থ মোঃ ফখরুদ্দিনের বাড়িতে হানা দেয়। গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। বাধা দিতে গেলে গৃহকর্তার মা শাহেদা আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখে।

পরে তারা আলমারির তালা ভেঙে প্রায় ৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ, আনুমানিক ১৮ ভরি স্বর্ণালংকার (মোট মূল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা) এবং ১২টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ফখরুদ্দিন বাদী হয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ সাতজন চিহ্নিত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মোঃ মিজান, সুব্রত দে ওরফে সুমন, আব্দুল মতিন, মোঃ নূর উদ্দিন, মোঃ আজাদ, মোঃ সেলিম ও মোঃ নুরুচ্ছফা তালুকদার।

বিগত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে অতিরিক্ত দায়রা জজ (৫ম) আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭/৪১২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচার নিষ্পত্তির জন্য বদলি হয়ে যায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দেউলিয়া বিষয়ক আদালতে।

বিচারক ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন, ৪জন আসামির ১৬৪ ধারায় আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও জবানবন্দিতে আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু। তিনি বলেন, “এটি ছিল একটি পূর্বপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ ডাকাতি। আসামিরা শুধু অর্থ-সম্পদ লুট করেনি, বরং নিরীহ গৃহিণীদেরও আহত করেছে। আমরা আদালতে সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে উপস্থাপন করেছি। চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং উদ্ধারকৃত লুণ্ঠিত মালামাল মামলাটিকে আরও শক্ত ভিত্তি দেয়। আদালতের এই রায় সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে—যে কেউ এমন অপরাধ করলে তার উপযুক্ত বিচার হবে।”

রাষ্ট্রপক্ষে তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট মোঃ ফরিদুল আলম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মোঃ মিজান ও মোঃ আব্দুল মতিন রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন, বাকি আসামিরা মামলার বিচারকালীন সময় থেকেই পলাতক ছিলেন।

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

mahjong

spaceman

nona88

nona88

nona88

nona88

nona88

mahjong

nona88

crazyrich88

star88

star88

nona88