ডিম-মুরগিতে ১৫ দিনে ৫১৮ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২০, ২০২২, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ / ৩৮৮
ডিম-মুরগিতে ১৫ দিনে ৫১৮ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ
Spread the love

গত কয়েকদিন ধরেই বাজারে ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি ডিমের দামে বেশ অস্থিরতা চলছে। দেশের প্রান্তিক খামারি ও ডিলারদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, একটি মাফিয়া চক্র গত ১৫ দিনে ডিম ও মুরগির বাজার থেকে ৫১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চক্রটি পরিকল্পিতভাবে ডিম, মুরগি ও বাচ্চার দাম বাড়িয়ে বিপুল অংকের টাকা লোপাট করেছে।

শনিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনের সভাপতি সুমন হাওলাদার।

তিনি বলেন, দেশে পোল্ট্রি খাত মাফিয়া চক্রের হাতে চলে গেছে। কাজী ফার্মস, প্যারাগন, সিপি, নারিশ, ৭১, আফিল, সাগুনাসহ ১০ থেকে ১২টি বড় কোম্পানি যৌথভাবে এই চক্র তৈরি করেছে। চক্রটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে সারা দেশে প্রান্তিক খামারিদের ধ্বংস করতে চাইছে। এরই মধ্যে পরিকল্পিত চক্রান্তে দেশে প্রায় অর্ধেক প্রান্তিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। যারা এখনও টিকে আছে, তারা ডিম ও মুরগি উৎপাদন করলেও দাম নির্ধারণ করতে পারে না। এ দাম নির্ধারণ করে দেয় বড় কোম্পানিগুলো। যখন প্রান্তিক খামারিদের হাতে ডিম ও মুরগি মজুত থাকে, তখন তারা দাম বাড়াতে চায় না। কিন্তু কোনো কারণে দাম কমে এলে বড় কোম্পানিগুলো বাজারে ডিম ও মুরগি ছাড়া বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে দেশে ডিম ও মুরগির বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এটি বড় কোম্পানিগুলো জেনেশুনে করছে।

আরও পড়ুন: অর্ধেকে নেমেছে ডিমের চাহিদা

সুমন হাওলাদার বলেন, বর্তমানে এক বস্তা ফিড প্রান্তিক খামারিকে কিনতে হয় ৩ হাজার ৩০০ টাকায়। কিন্তু কোনো খামারি বড় কোম্পানির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং করলে ওই বস্তা পাওয়া যায় আড়াই হাজার টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিগুলো বস্তা প্রতি ফিডে ৮০০ টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করেছে। তারা প্রতিটি ডিমে বাড়তি লাভ করছে ৩ টাকা। প্রতিটি ব্রয়লারের বাচ্চা বিক্রি করে বাড়তি লাভ করছে ২০ থেকে ২২ টাকা।

দেশে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা সাড়ে চার কোটি পিস জানিয়ে এই সভাপতি বলেন, এর মধ্যে বড় কোম্পানিগুলোই জোগান দেয় আড়াই কোটি। প্রতি ডিমে ৩ টাকা করে বেশি নিয়ে প্রতিদিন ৭ কোটিরও বেশি টাকা তারা অবৈধভাবে লাভ করেছে। এভাবে গত ১৫ দিনে বড় কোম্পানিগুলো ডিমের বাজার থেকে ১১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। দেশে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। এভাবে প্রতিদিন ১৯ কোটি ৫০ লাখ কেজি মজুত সংকট তৈরি করে এবং পরবর্তী সময়ে তা ছেড়ে প্রতি কেজিতে বাড়তি নেয়া হয়েছে ১৫ টাকা। এর মাধ্যমে গত ১৫ দিনে বড় কোম্পানিগুলো ১৭২ কোটি টাকার বেশি লাভ করেছে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, প্রতিদিন এক কোটি ৩০ লাখ বাচ্চা বিক্রি থেকে গড়ে ১২৯ টাকা বেশি নিয়েছে বড় কোম্পানিগুলো। এর মাধ্যমে গত ১৫ দিনে তাদের বাড়তি মুনাফা ২৩৪ কোটি টাকা। মুরগি ও ডিমের দাম আসলে আড়তে নির্ধারণ হয় না। সারা দেশে আড়তগুলোতে বড় কোম্পানির লোকজন থাকে। বড় কোম্পানিগুলো যে দাম নির্ধারণ করতে বলে, আড়তগুলোতে সেই দামেই নির্ধারণ হয়ে থাকে। এই প্রক্রিয়া দেশের ভোক্তাদের জন্য শুভ নয়। এতে প্রান্তিক খামারিরা অস্তিত্ব সংকটে পড়বেন এবং প্রতিটি ডিম ২০ টাকায় খেতে হবে। আর ব্রয়লার মুরগি খেতে হবে ৪০০ টাকা কেজিতে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকার, সহ-সভাপতি বাপ্পি কুমার দে প্রমুখ।

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

sikatbos77

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

mahjong

spaceman

nona88

nona88

nona88

sikatbos77

nona88

sikatbos77

kantonghoki88 link alternatif

nona88

mahjong

nona88

crazyrich88

star88

star88

nona88

sikatbos77