অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে হাইকোর্টে রটি


প্রকাশের সময় : জুলাই ২, ২০২২, ৬:১৭ অপরাহ্ণ / ৪১৩
অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে হাইকোর্টে রটি
Spread the love

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকার এক বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত। তিনি অসুস্থ হওয়ায় অপ্রাপ্ত বয়স্ক (প্রায় ১৬ বছর) মেয়েকে বিয়ে দিতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ধবার (২৯ জুন) তার রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইলিয়াস আলী মণ্ডল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ‘আইনের বিশেষ বিধান’ সংক্রান্ত ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,‘ এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিধি দ্বারা নির্ধারিত কোন বিশেষ প্রেক্ষাপটে অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে, আদালতের নির্দেশ এবং বাবা-মা বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতিক্রমে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণক্রমে, বিবাহ সম্পাদিত হইলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না। ’

পরের বছর এ বিষয়ে বিধিমালা করা হয়। ওই বিধিমালায় বিশেষ বিধানের জন্য কিছু প্রক্রিয়া দেওয়া হয়। কিন্তু কোন আদালত থেকে অনুমতি নিতে হবে তার নির্দিষ্ট করা নেই।

এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জে পাত্র ঠিক করে মেয়েকে বিয়ে দিতে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দ্বারস্থ হয় মেয়ের বাবা এবং ছেলের বাবা। কিন্তু সেখানে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন মেয়ে-ছেলের বাবা এবং ছেলেসহ ৪ জন।

বুধবার এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

রুলে রুলে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ১৯ ধারা এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ নীতিমালা, ২০১৮ এর  ১৭ বিধি  অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্কদের সর্বোত্তম স্বার্থে বিয়ের জন্য উপযুক্ত কোর্ট কেন নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

তিন সপ্তাহের মধ্যে আইন, স্বরাষ্ট্র, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনে বলা হয়, কন্যার বয়স আনুমানিক ১৬ বছর এবং ছেলের বয়স ২৫ বছর যথাক্রমে আমরা তাদের পিতা ও আইনত অভিভাবক। আমরা উভয় পরিবারের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধুত্ব দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, আমি কন্যার পিতা দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে  চিকিৎসাধীন। কোন দিন দুনিয়া সেড়ে চলে যাই, তা একমাত্র আল্লাহপাক ভালো জানেন। বাবা হিসেবে সৎপাত্রে কন্যা দান করা আমার সর্বোত্তম শেষ ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য আমার বন্ধুর ছেলের সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ের বিষয়টি উভয় পরিবারের পূর্ণ সম্মতিতে চূড়ান্ত হয়েছে। সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক ও আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

mahjong

spaceman

nona88

nona88

nona88

nona88