সীতাকুণ্ডে ওএমএস ডিলারশিপ নিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানালো সীতাকুণ্ড পৌরসভা বিএনপি


প্রকাশের সময় : জুন ২৯, ২০২৫, ৩:১২ অপরাহ্ণ / ১৫৫
সীতাকুণ্ডে ওএমএস ডিলারশিপ নিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানালো সীতাকুণ্ড পৌরসভা বিএনপি
Spread the love

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ডিলারশিপ পাইয়ে দিতে ঘুষ দাবি করার অভিযোগে স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। সম্প্রতি “পাক্ষিক উত্তর চট্টলা” সহ কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও টিভি চ্যানেলে সংবাদ প্রকাশিত হয়, যেখানে সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য একেএম শামসুল আলম আজাদের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ আনা হয়।

খবরে দাবি করা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুবিধাভোগী ডিলারদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ভিন্ন নামে আবেদন করিয়ে ডিলারশিপ পাইয়ে দিতে সহায়তা করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন, আজাদ বিএনপির নাম ব্যবহার করে অনেক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বিএনপির ত্যাগী নেতারাও তার কাছ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর শামসুল আলম আজাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ওএমএস এর ডিলার সম্পূর্ণ আমার নিয়ন্ত্রণে না। কেউ যদি অভিযোগ করে, আমার কি করার আছে?” এদিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেন, ডিলার নিয়োগের জন্য একটি যাচাই-বাছাই কমিটি করা হয়েছে এবং বৈধ আবেদনকারীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে।

তবে এসব অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সীতাকুণ্ড পৌরসভা বিএনপি। শনিবার এক আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপি বলেছে, শামসুল আলম আজাদ উত্তর জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ওএমএস ডিলারশিপ নিয়োগে ঘুষ বা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওএমএস ডিলার নিয়োগের প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে পরিচালিত হয়। একজন পৌর কাউন্সিলরের এ ধরনের কোনো ক্ষমতা নেই, তিনি কখনো এমন কোনো কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন না। বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, শামসুল আলম আজাদ তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে সততা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। তার এই সুনাম ও বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করছে।

সীতাকুণ্ড পৌরসভা বিএনপি এ ধরনের “মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টাল ও টিভি চ্যানেলকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং সদস্য সচিব সালেহ আহমদ সোলো

Translate »