

কুইন্স ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে ব্যবসা এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতার প্রচারে কুইন্স চেম্বার অব কমার্স এবং ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট, ২০২২) যুক্তরাষ্ট্রের কুইন্সে বুলোভা কর্পোরেট সেন্টারে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে কুইন্স চেম্বার অব কমার্স ইউএসবিসিসিআই-র বিজনেস এক্সপোকে সার্বিক সহযোগিতা করবে, যেটি আগামী ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর কুইন্সের লাগার্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়টে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করা হবে। usbccibusinessexpo.com ওয়েবসাইটে বিজনেস এক্সপো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। কুইন্স চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও টম গ্রেচ বলেন, কুইন্সে বিশ্বের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায়ের বসবাস। আমরা শুধু অভিবাসীদের মালিকানাধীন অভূতপূর্ব সংখ্যক ব্যবসাগুলোই বাড়ায় না, বরং বিশ্বজুড়ে নানান কোম্পানির গ্রাহকও রয়েছে কুইন্সের প্রতিটি পাড়ায়। আমরা ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব শুরু করতে পেরে উচ্ছ্বসিত, যা আমাদের উভয় সংস্থার সদস্যদের জন্য উপকারী হবে। আসন্ন ইউএসবিসিআই বিজনেস এক্সপোতে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। ইউএসবিসিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মো. লিটন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের মালিকানাধীন অনেক ছোট ব্যবসা সহ একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের আবাসস্থল হল কুইন্স। আমরা কুইন্স চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে উচ্ছ্বসিত, যা কুইন্স এবং আমাদের দেশের ব্যবসায়িকগণের উপকারে আসবে। ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট এন্ড ইনোভেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স-এর ডেপুটি কমিশনার দিলীপ চৌহান বলেন, নিউ ইয়র্ক সিটি এবং সারা বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে এমন সম্পর্ক তৈরি করা আমাদের স্থানীয় অর্থনীতির জন্য অত্যাবশ্যক৷ আমরা এই অংশীদারিত্বের জন্য কুইন্স চেম্বার অব কমার্স এবং ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে অভিনন্দন জানাই এবং এখানে নিউইয়র্ক সিটি ও বিদেশে কর্মসংস্থান এবং ব্যবসায় সহায়তা করার জন্য তাদের প্রচেষ্টার জন্য তাদের সাধুবাদ জানাই। উল্লেখ্য, কুইন্স চেম্বার অব কমার্স হল কুইন্সের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম ব্যবসায়িক সংস্থা, যারা ১৪’শ টিরও বেশি ব্যবসা এবং দেড় লাখ কুইন্স-ভিত্তিক কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। এর লক্ষ্য হল সংযোগ বৃদ্ধি করা, সাফল্যের জন্য শিক্ষিত করা, প্রোগ্রামগুলি বিকাশ ও বাস্তবায়ন করা এবং সদস্যদের স্বার্থের পক্ষে সমর্থন করা। www.queenschamber.org ওয়েবসাইট ভিজিট করে সংস্থাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। অন্যদিকে, ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) হল এমন একটি সংস্থা, যা বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশে আমেরিকান ব্যবসার সমৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য কাজ করে থাকে। এছাড়াও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের চাহিদা পূরণে সংস্থাটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং একটি উদ্যোক্তা পরিবেশ তৈরি করা ইউএসবিসিসিআই-এর অন্যতম লক্ষ্য। তথ্য, সহায়তা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, উৎসব, ব্যবসায়িক রেফারেল, নেটওয়ার্কিং, সামাজিকীকরণ এবং আরও অনেক কিছুর উৎস এই ব্যবসায়িক সংগঠনটি। ইতিবাচক নানান কর্মের জন্য ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের ‘বিশ্বস্ত কণ্ঠ’ বলা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :