বাউফলে গরু চুরি, চোর শনাক্তে ফকিরের ঝাঁড়ফুঁকে অসুস্থ -২


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২১, ২০২২, ১০:১৯ অপরাহ্ণ / ৩৪৬
বাউফলে গরু চুরি, চোর শনাক্তে ফকিরের ঝাঁড়ফুঁকে অসুস্থ -২
Spread the love

পটুয়াখালীর বাউফলে চোর সনাক্তের নিমিত্তে ফকিরের দেওয়া ঝাঁড়ফুঁকে ফোরকান বেপারী(৪৫) ও খলিল মোল্লা (৫৫) নামের দুই ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরতর অসুস্থ ফোরকান বেপারী ও খলিল মোল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের রায়সাহেব গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত রবিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে একই এলাকার আঃ খালেক ফকিরের ছেলে লিকু ফকিরের ৩টি গরু চুরি হয়। ঘটনার পরের দিন বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভুগী পরিবার।
চোর সনাক্ত করতে এ নিয়ে এলাকায় ঘটে গেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কে সত্যিকার চোর এ নিয়ে এলাকায় চলছে তোলপাড় । ভুক্তভোগী ওই কৃষক বাউফল থানায় চুরির অভিযোগ করলে সরেজমিনে তদন্ত করতে যান থানা পুলিশ। কিন্তু থানা পুলিশকে উপেক্ষা করে একটি মহল কৃষক লিকু ফকিরকে ফকিরের তদবির নিতে বলেন। তাই শুনে সে কথিত ফকিরের তদবির আনেন।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা মো. করিম রাড়ীর মাধ্যমে তদবিরের জন‍্য গোপালগঞ্জের মোকসুদপুরের ফকির মো. ইস্রাফিল শেখের কাছে গেলে তিনি চোর সনাক্তের জন‍্য ডিম পড়া ও রুটি খাওয়ানোর জন‍্য আটা পড়া দেন। স্থানীয়দের উপস্থিতে ডিম পানিতে ফুটানো ও রুটি খাওয়ানোর এক পর্যায়ে খলিল মোল্লা ও ফোরকান বেপারী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় স্থানীয় ব‍্যক্তি জানান, সিরিয়াল না মেনে প্রথমে ফোরকান ও পরে খলিলকে লিকু ফকির রুটি দিয়েছে। এটি নিয়ে উপস্থিত কতিপয় স্থানীয়দের মধ‍্যে সন্দেহের উদ্রেক করে। যদিও সাংবাদিকদের ক‍্যামেরার সামনে লিকু ফকিরের স্ত্রী নুপুর বেগম রুটি খাওয়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এদিকে অভিযুক্ত ফোরকান বেপারী জানান, আমাকে ষড়যন্ত্র করে রুটি খাওয়ানো হয়েছে, তা না হলে আমার আগে পরে অনেক লোক ছিলো তাদেরকে না দিয়ে আমাকে আলাদাভাবে আগে দেয়া হয়েছে পরে অন্যদেরকে দেয়া হয়েছে।
একই অভিযোগ করেছেন খলিল মোল্লাও, তিনি বলেন ফোরকান বেপারীকে খাওয়ানোর পরে আট দশ জন লোকের ব্যাবধানে আমাকে খাওয়ানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে গরুর মালিক লিকু ফকির সাংবাদিকদের বলেন- এদের সাথে আমার কোন শত্রুতা নাই, আমি ফকিরকে বিশ্বাস করিনা, যেতেও চাইনি, আমাকে করিম রাড়ী ফকিরের কাছে নিয়ে যায়, তিনি আরও বলেন এখনও আমি তাদেরকে চোর সন্দেহ করিনা।
বাউফল থানা অফিসার ইনচার্জ ( ওসি)আল মামুন বলেন- আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্তের জন্য সরজমিনে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

slot jepang

mahjong

spaceman