পলাশির ট্র্যাজেডি সেই মীর জাফরগণদের চক্রান্ত বিকৃত ইতিহাসের ধিকৃত যাত্রায় নবায়ন শুরু হয়েছে


প্রকাশের সময় : জুন ২৩, ২০২৩, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ / ৫৮৭
পলাশির ট্র্যাজেডি সেই মীর জাফরগণদের চক্রান্ত বিকৃত ইতিহাসের ধিকৃত যাত্রায় নবায়ন শুরু হয়েছে
Spread the love

এডভোকেট মুহাম্মদ এহছানুল হক মিলন

পলাশি দিবস বাংলার ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ বিষাদময় ঘটনার সাক্ষী । ১৭৫৭ সনে ২৩ শে জুনের এই দিনে পলাশির আম্রকাননে স্বাধীনতার সূর্য স্থামিত হয়। যার সূত্রিতা শুরু হয়েছিল ১২০১ সনে মুসলিম সিপাহসালার সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিল্জী বঙ্গ বিজয়ের পথ ধরে প্রায় সাড়ে পাচঁশত বছরের অধিক কাল ধরে এদেশের জনগেীষ্ঠিী স্বাধীন ।

তবে দুঃখের বিষয় ১৭৫৭ সনের ২৩ শে জুন ইংরেজ পরাশক্তি ও এদেশীয় মীর জাফর গণদের কুটিল ষড়য়ন্ত্রের কারণে বাংলা বিহার উড়িষ্যার মানুষের ললাটে গোলামীর চিত্র ফুটে উঠে । সেই মীর জাফর গণদের চক্রান্ত বিকৃত ইতিহাসের ধিকৃত যাত্রায় নবায়ন শুরু হয়েছে । অতএব জাতিকে সাবধান থাকা উচিত। ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন পলাশীর আম্রকাননে দূর্ভগ্যজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে এক যুদ্ধের ময়দান । সংগঠিত ষড়যন্ত্রের নীল নকশায় এই যুদ্ধে পরাজিত ও নিহিত হন। বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার ১৭৫৭ সালের এই দিনে আমাদের স্বাধীনতার সূর্য় স্থমিত হয়। ইতিহসি কতইনা নির্মম ও নিষ্ঠুর । যার সত্য দলিলকে অস্বীকার করার শক্তি কোন উম্মত বা অসভ্য জাতি ছাড়া অন্য কোন সভ্য জাতীর পক্ষে সম্ভব নয়। এদেশের আদি নৃতাত্ত্বিক জনগেীষ্ঠীরা ছিল ডুম , হৃরি ,বডুব, কুন্ডল ,চান্ডাল ,কোল , সবর,ডোলকি ও পুলিন্দ ইত্যাদি ধর্মীয় চেতনায় বিশ্বাসী নমঃশুভ্রবাঙালী জাতি বঙ্গবাসীর হালে বাংলাদেশী ।এ অঞ্চলের মানুষ ১২০১-৩ সালের প্রাক যুগের বহিরাগতদের দ্বারা শাসিত হয়ে আসছিল। মুসলিম সিপাহসালার সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিল্জী বাঙালী শেষ নৃপতি লক্ষন সেন (সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষন সেন) কে পরাজিত করলে বঙ্গে মুসলিম শাসনের সূচনা শুরু হয়। মুসলিম সালতানাত বা মুসলমানদেও শাসন ব্যাবস্থা এই দেশের মানুষকে স্বাধীনতার আবহে এনে মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে শিক্ষা সাহিত্য সংস্কৃতিকে সামাজিক উন্নয়নে যোগ্য নাগরিক হয়ে উঠার সুযোগ করে দেয়। প্রান্তিক পর্যায়ে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী মুসলিম শাসক গণ সারা পৃথিবীতে ইতিহাসের স্বীকৃতি পাই। প্রাক বাংলা ভারতের জনগেীষ্ঠী ইতিহাসের বিবেচনায় মুসলিম শাসনের সময়ে বৃহত্তর হিমালয়ের পাদদেশে এই অঞ্চল। আমাদের দেশের এই ভ্থখন্ডে বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাহ ছিলেন জাতি বা নাগরিক স্বার্থে সম্পূর্ণ স্বাধীন শাসক।
সুতরাং মুসলিম সালতানাত বা শাসন ব্যবস্থায় ক্রমিক পর্যায়ে এদেশের মানুষ ছিল স্বাধীন বিদায় ইতিহাস পর্যালোচনায় বর্তমান বাংলাদেশীদের স্বাধীনতা সেই ১৭৫৭ সনের ২৩ শে জুন চির পরাস্থান ঘঠে । কিছু সংখ্যক নিকৃষ্ট বিশ্বাস ঘাতক , সুযোগ সন্ধানী , লোভী আর হিংসুক মানুষরূপী জানোয়ার ও ষঢ়যন্ত্রের কারণে বাংলা সামাজিক, সাংস্কৃতিক , অর্থনৈতিক সবক্ষেত্রেই সৃষ্টি হয় চরম বিপর্যস্থ অবস্থা । শস্য শ্যামল, সয়ংসম্পূর্ণ
একটি জনপদের এই ধরনের পরাজয় পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল । মীর জাফর ,জগৎেশঠ , রায় দূর্লভ ঘসেটি বেগম গণদের ক্ষমতার মৌহ এদেশের স্বাধীনতার পতন ঘঠিয়ে প্রায় ২০০ বছর এর কাল পঞ্জিতে ইংরেজরা এদেশ শাসন করে। ইংরেজরা বাংলায় শাসন ক্ষমতা দখলের ক্ষেত্রে শঠতা , প্রতারণা,ষড়যন্ত্র ও বিভেদ নীতির আশ্রয় গ্রহণ করেছিল । আর তাদের এ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মুখ্য ভ্থমিকা পালন করেছিল হিন্দু শেঠ বেনিয়ারা, যাদেরকে বিশ্বাস করে মুসলিম শাসকরা গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। যদিও প্রধনি সেনাপতি হবার কারণে
ঘটনাচক্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছিল অপদার্থ মীর জাফর , কিন্তু এর পেছনের প্রধান চক্রন্তকারীরা ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে।
কিন্তু বর্তমান গৃণীত ইতিহাসের পাতায় সেই ২০০ বছরের গোলামীর জলন্ত চিত্র লাভ করতে আজকের নাগরিকরা অক্ষম হয়ে পড়েছে ।

সেই
দায়ভার কে নিবে??????????

লেখকঃ- সাহিত্য সংস্কৃতি ও মানবাধিকার কর্মী

Translate »

fins88

fins88

mister138

nona88

slot

fins88

nona88/

mister138

slot777

milenium88

mister138

fins88

slot bet 200

nona88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

tirto88

wijaya88

plaza88

crazyrich88

star88

slot jepang

mahjong

spaceman