

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ বিগত ৮ মে ২০১৫ ইংরেজি তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকার সময় সীতাকুন্ড থানাধীন সীতাকুণ্ড পৌরসভার শেখপাড়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর পুলিশে অভিযান চলাকালে অবৈধ ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে নোয়াখালী গামী বাসযোগে যাওয়ার সময় মামলার বাদী সীতাকুন্ড থানার এস আই মোঃ মোজাম্মেল হক সঙ্গীয় ফোর্স সহ বাসটি থামায় এবং অত্র মামলায় আসামী মোহাম্মদ আমির বাস থেকে নামিয়া দৌড়াইয়া পালাইয়া যাওয়ার চেষ্টা কালে বাদীর সঙ্গীয় ফোর্সের সহযোগিতায় আসামিকে দৃত করে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি করিয়া তার পরিহিত আন্ডারওয়ার এর ভিতর হতে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এই ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় মামলা হয়। মামলাটি বিচার-নিস্পতির জন্য চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দেউলিয়া বিষয়ক আদালতে প্রেরণ করলে মামলায় ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়। আদালত মামলায় আইন মোতাবেক সকল কার্যক্রম শেষে ৭ নভেম্বর ২০২৪ ইংরেজি তারিখে মামলার এজাহার, এফআইআর, চার্জশিট ও জব্দ তালিকা এবং আদালতে উপস্থিত হওয়া সাক্ষীদের জেরা , জবানবন্দী ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানির আলোকে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দয়রা জজ দেউলিয়া বিষয়ক আদালতের বিচারক জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আসামীকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০০০ টাকা জরিমানা অনাদায় আরো ৩ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। আসামী মোহাম্মদ আমির রায়ের সময় পলাতক ছিলেন। আসামী মোহাম্মদ আমির চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন মানিক পাঠান এলাকার রফিক আহমদ সওদাগরের পুত্র। অত্র মামলার বাদী /রাষ্ট্র পক্ষে দায়িত্ব পালন করেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু, এবং তাকে সহযোগিতা করেন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ ফরিদুল আলম, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু বলেন রাষ্ট্রপক্ষে আসামীর বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার বিষয়ে সন্দেহতীত প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং আসামীকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে আদালত এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :